আমরা শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম নই — আমরা বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিনোদন ও পুরস্কারের স্বপ্নের সাথে জড়িয়ে আছি। Zoya Bhaji-তে আপনি পাবেন নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা আর সত্যিকারের মজা।
কেন আমরা যা করি, তা করি
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজ ও আনন্দদায়ক অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ভাষার বাধা নেই, প্রযুক্তির জটিলতা নেই — শুধু খাঁটি মজা।
২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ব্যবহারকারী-বান্ধব বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে।
বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীলতা — এই তিনটি নীতিতে Zoya Bhaji পরিচালিত হয়। আমরা বিশ্বাস করি মজা ও দায়িত্ব একসাথে চলতে পারে।
শুরুটা ছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কেন অনলাইন বেটিংয়ে ইংরেজি-ভাষার জটিল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে বাধ্য হবেন? কেন bKash বা Nagad দিয়ে সহজে পেমেন্ট করা যাবে না? কেন সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার সুযোগ থাকবে না?
এই প্রশ্নগুলো থেকেই Zoya Bhaji-র জন্ম। ২০১৯ সালে একদল তরুণ উদ্যোক্তা — যারা নিজেরাও বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করতেন এবং প্রতিদিনের হতাশাটা নিজেরাই অনুভব করতেন — একত্রিত হলেন একটা নতুন কিছু গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে। লক্ষ্য ছিল এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে বানানো।
প্রথম দিকটা সহজ ছিল না। প্রযুক্তি, নিয়মকানুন, পেমেন্ট সিস্টেম — প্রতিটি ধাপে নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন দেখলাম খুলনার একজন রিকশাচালক তাঁর পুরনো Android ফোনে Zoya Bhaji ব্যবহার করে ক্রিকেটে বাজি ধরছেন — এবং পেমেন্টও ঠিকঠাক পাচ্ছেন — তখন বুঝলাম আমরা সঠিক পথেই আছি।
আজ Zoya Bhaji বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মানুষ ব্যবহার করেন। ঢাকা থেকে রাঙামাটি, সিলেট থেকে কক্সবাজার — সর্বত্র আমাদের ব্যবহারকারীরা আছেন। আমাদের সফলতার কারণ একটাই — আমরা কখনো ভুলিনি যে আমাদের প্রধান কাজ হলো ব্যবহারকারীদের জীবন আরেকটু সহজ ও আনন্দময় করা।
Zoya Bhaji-তে আমরা শুধু বেটিং সুবিধাই দিই না — আমরা একটা কমিউনিটি তৈরি করেছি। যেখানে মানুষ ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করে, একে অপরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, আর মিলে মিলে জয় উদযাপন করে। এই মানবিক সংযোগটাই Zoya Bhaji-কে অন্য সব প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে তোলে।
Zoya Bhaji আন্তর্জাতিক মানের এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং দায়িত্বশীল গেমিং নীতি মেনে চলে। আমাদের RNG (Random Number Generator) সিস্টেম তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক পরীক্ষিত ও প্রমাণিত।
ঢাকায় একটি ছোট দল নিয়ে যাত্রা শুরু। বেটা ভার্সনে প্রথম ১,০০০ ব্যবহারকারী।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সরাসরি বেটিং প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হলো।
সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় iOS ও Android অ্যাপ লঞ্চ। ব্যবহারকারী সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে গেল।
রিয়েল ডিলারদের সাথে লাইভ বাকারা ও রুলেট চালু। ব্যবহারকারী ৫ লাখ পার হলো।
দৈনিক গ্যারান্টিড জ্যাকপট চালু। এক বছরে ৳২০ কোটির বেশি পুরস্কার বিতরণ।
Zoya Bhaji বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেটিং কমিউনিটিতে পরিণত হলো।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য
Zoya Bhaji-র অ্যাপ থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট পর্যন্ত সব কিছু পরিষ্কার বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।
bKash, Nagad ও Rocket দিয়ে সেকেন্ডের মধ্যে ডিপোজিট করুন। উইথড্র গড়ে মাত্র ১৮ মিনিটে আপনার একাউন্টে।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং বায়োমেট্রিক লগইন — আপনার তথ্য ও অর্থ সর্বদা সুরক্ষিত।
ম্যাচ চলার সময় মুহূর্তে মুহূর্তে আপডেট হওয়া অডসে বাজি ধরুন। বল-বাই-বল স্ট্যাটস সহ সম্পূর্ণ লাইভ অভিজ্ঞতা।
রাত ৩টায়ও সমস্যা হলে আমাদের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ফোন ও ইমেইলে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশের মিড-রেঞ্জ ফোনের কথা ভেবে তৈরি অ্যাপ। ৩G নেটেও লাইভ বেটিং করা যায় কোনো ঝামেলা ছাড়াই।
যারা Zoya Bhaji-কে প্রতিদিন আরও ভালো করে তুলছেন
প্রযুক্তি ও ফিনটেকে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন শিল্পকে রূপ দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করেন।
মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে বিশেষজ্ঞ। Zoya Bhaji-র অ্যাপকে বাংলাদেশের সেরা করে তোলার পেছনে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি।
৫ বছর ধরে ১০০+ সাপোর্ট এজেন্টের দল পরিচালনা করছেন। প্রতিটি ব্যবহারকারীর সমস্যা সমাধানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
পেমেন্ট সিস্টেমে দক্ষ। bKash ও Nagad ইন্টিগ্রেশনের পেছনে ছিলেন তিনিই। দ্রুত উইথড্রের নিশ্চয়তা তাঁর হাতেই।
সারা বাংলাদেশ থেকে আসা সত্যিকারের মতামত
Zoya Bhaji-তে আসার আগে অনেক জায়গায় চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বাংলায় সব পাওয়া আর bKash দিয়ে পেমেন্টের সুবিধা শুধু এখানেই পেয়েছি। এখন আর অন্য কোথাও যাওয়ার কথা ভাবি না।
ক্রিকেট বেটিংয়ের জন্য এর চেয়ে ভালো প্ল্যাটফর্ম আমি দেখিনি। লাইভ স্কোর দেখতে দেখতে বাজি ধরা যায় — এটা অন্যখানে এত সহজ না। Zoya Bhaji-র টিম সত্যিই কাজের জিনিস বানিয়েছে।
আমি একবার উইথড্রে সমস্যায় পড়েছিলাম — রাত ১১টায় লাইভ চ্যাটে জানালাম, ২০ মিনিটে সমাধান হয়ে গেল। বাংলায় কথা বলার সুবিধাটা অনেক বড়। Zoya Bhaji সত্যিই মানুষের কথা ভাবে।
অ্যাপ ও স্লট গেম বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর
🎯 ZOYA BHAJI
বাংলাদেশের ১২ লক্ষেরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যে Zoya Bhaji-তে আছেন। নিবন্ধন করুন, স্বাগত বোনাস পান এবং শুরু করুন আপনার বেটিং যাত্রা।